মোঃ রাসেল, ইভ্যালির উত্থান ও ভবিষ্যত | Evaly and Md. Rassel | TmA
লেখা: TmA desk
করতেন বাচ্চাদের ডায়পার বিক্রির ব্যবসা, হুট করে মাথায় আসে ই-কমার্স ব্যবসার। লেগে পড়েন তাতে। শুরু হয় ইভ্যালির পথচলা। এরপর মোহাম্মদ রাসেলের পরিচিতি বাড়তে থাকে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে একের পর এক লোভনীয় অফার দিয়ে গ্রাহক টানে দেশীয় এই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। বিশাল অফার, ছাড়ের ছড়াছড়ি আর ক্যাশব্যাকের আকর্ষণ দিয়ে ক্রেতা বাড়ানোর কৌশল নিয়ে সফল হলেও প্রতিষ্ঠানটি এখন গ্রাহক ভোগান্তির শীর্ষে। ফলাফল? গেল বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতার হয়েছেন মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী।
একজন মোহাম্মদ রাসেল
মোহাম্মদ রাসেলের বেড়ে ওঠা রাজধানী ঢাকাতেই। ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন তিনি। পরবর্তীতে সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। এমবিএ করার সময়েই ২০১১ সালে ঢাকা ব্যাংকে চাকরি নেন তিনি। ৬ বছর পর ঢাকা ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে অনলাইনে পণ্য বেচাকেনার ব্যবসা শুরু করেন রাসেল।
২০১৬ সালে প্রথমে অনলাইনে বাচ্চাদের ডায়াপার বিক্রি দিয়ে যাত্রা শুরু করেন রাসেল। ২০১৭ সালে এই ব্যবসা করতে গিয়ে বড় একটি অনলাইন প্লাটফর্ম গড়ার চিন্তা মাথায় আসে তার। সেই চিন্তা থেকেই প্রতিষ্ঠা করেন দেশীয় ই-কমার্স ইভ্যালি।
হঠাত করে কেন এমন চিন্তা এমন প্রশ্নে বছর দুয়েক আগে এক সাক্ষাৎকারে রাসেল জানান," বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই আমি উদ্যোক্তা হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করেই তার সাহস পাচ্ছিলাম না। এজন্য আমার দরকার ছিল বিজনেস প্ল্যান, বিজনেস সাপোর্ট, ট্রেডিং, ইমপোর্ট, এক্সপোর্ট, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, ফান্ড ম্যানেজমেন্ট, ব্যান্ডিং ইত্যাদি বিষয়ে অভিজ্ঞতা। সে কারণে ঢাকা ব্যাংকে ৬ বছর চাকরিতে ছিলাম। ব্যাংক থেকেই আমি সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। মূলত উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন থেকে কয়েক বছর চাকরি করেছি। সেখানে আমার স্থায়ী হওয়ার কোনও পরিকল্পনাই ছিল না। তাই চাকরি ছেড়ে দিই।"
ইভ্যালির পথচলা
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু করে ইভ্যালি। প্রতিষ্ঠাতা রাসেল সে সময় থেকেই প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার বা সিইও পদে আছেন। তার স্ত্রী শামিমা নাসরিনকে দেখা গেছে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পদে। ইভ্যালির নাম উঠে আসে পণ্য বিক্রিতে ক্যাশব্যাক অফার দেওয়ার মাধ্যমে। এ অফারের আওতায় পণ্যভেদে ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতেন গ্রাহকরা। পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত টাকা জমা হত ইভ্যালির ভার্চুয়াল একাউন্ট ই-ওয়ালেটে। এরপর সেই ভার্চুয়াল টাকার সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে নগদ টাকা দিয়ে পণ্যের অর্ডার করতে পারতেন গ্রাহকরা।
লোভনীয় ছাড়ে পণ্য বিক্রি গ্রাহক পর্যায়ে বেশ আলোড়িত করে ইভ্যালিকে। কম দামি পণ্যের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, গাড়ি, মোবাইল, ঘরের সরঞ্জাম এবং আসবাবপত্রের মতো উচ্চমূল্যের পণ্যে লোভনীয় ছাড় দেয় ইভ্যালি। সাইক্লোন, আর্থকোয়েক ইত্যাদি বিভিন্ন নামে প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের ১০০ শতাংশ ও ১৫০ শতাংশ ক্যাশব্যাকের মতো অত্যন্ত লোভনীয় অফার দেয়। গ্রাহকরাও লুফে নেয় অফারগুলো।
এরমধ্যে ইভ্যালিকে জনপ্রিয় করতে রাসেল প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের স্পন্সর, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে স্পন্সর করা এবং তারকা ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রতিষ্ঠানটির পণ্যদূত বানানো শুরু করে।
বর্তমান হিসেবে ‘ইভ্যালি’ প্রায় ১৭ লাখ নিয়মিত ক্রেতা, ২০ হাজারের বেশি বিক্রেতা। তবে চ্যানেল টোয়িন্টি ফোরের এক তথ্য বলছে, ইভ্যালির গ্রাহক ছাড়িয়েছে প্রায় ৪৪ লাখ। এদের নিয়ে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে স্বল্প সময়ে প্রথম সারিতে উঠে আসে প্রতিষ্ঠানটি। সাফল্যের পথে আসে সম্মাননাও। এশিয়ায় স্বল্প সময়ে দ্রুতবর্ধনশীল ই-কমার্স স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ও বিজনেস লিডার হিসেবে অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন মোহাম্মদ রাসেল। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখতে হয়েছে রাসেলের প্রতিষ্ঠানকে।
কেন সমালোচনা ইভ্যালিকে নিয়ে?
বিশাল অফার, ছাড়ের ছড়াছড়ি আর ক্যাশব্যাকের আকর্ষণ দিয়ে ক্রেতা বাড়ানোর কৌশল নিয়ে সফল হলেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানান অভিযোগও আসছিল গ্রাহকদের কাছ থেকে। অর্ডার কনফার্ম করে টাকা পাঠানোর পর মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও পণ্য বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ ছিল ভোগান্তির শিকার গ্রাহকদের।
৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি করার কথা থাকলেও, তা কখনো কখনো তিন মাস এমনকি ছয় মাসও ছাড়িয়ে যেতে শুরু করে বলে অভিযোগ করতে থাকেন ভুক্তভোগীরা।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অর্থনীতির শাস্ত্রে 'পঞ্জি স্কিম' নামে যে প্রতারণার ফাঁদের কথা বলা হয়, সেটিই অনুসরণ শুরু করেন রাসেল। নতুন গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা দিয়ে পুরনো গ্রাহক ও মার্চেন্টদের টাকা পরিশোধ শুরু করে ই-কমার্স কোম্পানিটি।ইভ্যালির ব্যবসার এ কৌশলের অনেক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
কী বলছে সরকার?
সমালোচনা শুরুর পর ইভ্যালির বিষয়ে নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত মার্চে তাদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্পদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি দেনা নিয়ে চলছে ইভ্যালি। প্রতিবেদনে বলা হয় ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা। গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা, আর মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নিয়েছে ১৯০ কোটি টাকার। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কমপক্ষে ৪০৪ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা। কিন্তু সম্পদ আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকার।
গত ১৯ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সম্পদ ও দায়ের হিসাব দাখিল করে ইভ্যালি। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে তাদের ব্র্যান্ড মূল্য ৪২৩ কোটি টাকা। গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত তাদের মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক কোটি টাকা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। বাকি ৫৪৩ কোটি টাকা হচ্ছে কোম্পানিটির চলতি দায়। তাদের এই হিসাব মনঃপূত হয় নি মন্ত্রণালয়ের। ১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ইভ্যালির ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সভায় সুপারিশ করা হয়, যেহেতু এখানে আইনের লঙ্ঘন হয়েছে সেহেতু বিষয়টিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পদক্ষেপ নিতে বলা হবে।
ইভ্যালির বক্তব্য
ইভ্যালি বলছে, দায়ের বিপরীতে তাদের চলতি সম্পদের বাজারমূল্য প্রায় ৯০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর সম্পত্তি, স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি মিলিয়ে রয়েছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ মোট সম্পত্তির বাজারমূল্য ১০৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। মোট দায় ৫৪৪ কোটি থেকে এই সম্পত্তি বাদ দিলে বাকি থাকে ৪৩৯ কোটি টাকা, যাকে ইভ্যালি তাদের অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে দাবি করছে।
সম্পদ বিবরণী মেলাতে ইভ্যালি দেখিয়েছে অস্থাবর সম্পত্তি ৪৩৮ কোটি টাকার মধ্যে ৪২৩ কোটি টাকা হচ্ছে তার ব্র্যান্ড মূল্য, আর ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা হচ্ছে অদৃশ্য সম্পত্তি।
সব মিলিয়ে ইভ্যালির মোট দেনার পরিমাণ ৫৪২ কোটি ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ৪৮২ টাকা। এই দেনার বিপরীতে তাদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সম্পদ রয়েছে ৫৪৩ কোটি ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ৪৮২ টাকা।
বহুমুখী চাপে বেকায়দায় ছিলেন রাসেল?
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের পর ইভ্যালি ও একই মডেলে ব্যবসা করা ১০টি ই-কমার্স সাইটের সঙ্গে লেনদেন স্থগিত শুরু করে ব্যাংক এবং আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।
২২ জুন এসব ই-কমার্স সাইট থেকে পণ্য কিনতে ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করার জন্য নিজেদের গ্রাহকদের নির্দেশনা দেয় বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংক।
এরপর সে তালিকায় যোগ দেয় ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংকসহ আরও কয়েকটি ব্যাংক এবং মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।
এ ঘটনা আলোচনায় আসার পর ট্রেন্ডজ, রঙ বাংলাদেশ, আর্টিসান আউটফিটার্স, ফিট এলিগ্যান্স, রিও ইন্টারন্যাশনালের মতো ব্র্যান্ডগুলো ইভ্যালির গিফট ভাউচার গ্রহণ স্থগিত করে দেয়। এছাড়া অন্যান্য মার্চেন্টরাও বকেয়া টাকার জন্য চাপ দিতে শুরু করে ইভ্যালিকে।
এর মধ্যে পণ্য না পেয়ে বারবার ইভ্যালি অফিসে গ্রাহকরা ধর্না দেওয়া শুরু করলে, ইভ্যালি তাদের টাকা রিফান্ডের আশ্বাস দেয়।
গত জানুয়ারি থেকে ক্রেতারা যেসব পণ্যের অর্ডার দিয়ে অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করেছেন, সময়মত পণ্য ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়ে সেসব ক্রেতাকে রিফান্ড চেক দেয় ইভ্যালি। তবে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংকে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকায় সেগুলো ক্যাশ হয়নি বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।
এরপর গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে গত ১৫ জুলাই নিজেদের সংগঠন থেকে ইভ্যালির সদস্যপদ স্থগিত করার বিষয়ে নোটিশ পাঠায় ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।
এমন করেই চতুর্মুখী চাপে ছিলেন মোহাম্মদ রাসেল ও তার প্রতিষ্ঠান।
কেন গ্রেফতার হলেন রাসেল?
গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান থানায় মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়। আরিফ বাকের নামে এক গ্রাহক বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে তিনি ও তার বন্ধুরা প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পাননি। পরে কোনো উপায় না পেয়ে মামলা করেছেন।
পরদিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মাদ রাসেলের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযানে যায় র্যাবের একটি দল। সেখান থেকে রাসেল ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়।
কী অপেক্ষা করছে সামনের দিনগুলোয়?
বড় স্বপ্ন, বড় লক্ষ্য নিয়েই ইভ্যালির যাত্রা শুরু হয়েছিল। নানান সময়েই বিভিন্ন মাধ্যমে দেওয়া বক্তৃতায় প্রতিষ্ঠান কর্তা রাসেল ইভ্যালিকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন। বলেছেন, আগামী কয়েক বছরে ইভ্যালিকে অ্যামাজন, আলিবাবার কাতারে নিয়ে যেতে চান। আশা রেখেছিলেন, তার কোম্পানি এক সময় বিশ্বের শীর্ষ ১০ ই-কমার্স কোম্পানির মধ্যে থাকবে। তবে ইভ্যালিকে ঘিরে সাম্প্রতিক নেতিবাচক ঘটনাবলী প্রতিষ্ঠানটির এগিয়ে চলায় স্পষ্টত বড় প্রভাব রাখবে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। সর্বশেষ, গ্রাহকের মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়েই শঙ্কা জেগেছে ভুক্তভোগীদের মনে। গ্রাহকরা তাদের পণ্য এবং বিশাল অঙ্কের পাওনা টাকা কীভাবে ফেরত পাবেন সেটি নিয়েও আছে প্রশ্ন। এর প্রেক্ষিতে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়।
__
ইভ্যালির বিজনেস মডেল নিয়ে আগামীকাল একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশিত হবে। পড়ার আমন্ত্রণ।
__
ট্যাগ: ইভ্যালির উত্থান, ইভ্যালির রাসেল, ইভ্যালি, evaly, evaly.com.bd, tma, tmabd, ইভ্যালি যেভাবে লাভ করে,




