বঙ্গবন্ধুর স্বভাবই পেয়েছিল শেখ রাসেল? | Sheikh Rasel

 


রাসেলের জন্ম ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর। পরিবারে পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাসেলকে ঘিরে হৈ-হুল্লোড় চলতো ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে। বঙ্গবন্ধু বার্ট্র্যান্ড রাসেলের খুব ভক্ত ছিলেন, তাঁর বই পড়ে স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে ব্যাখ্যা করে শোনাতেন প্রায়ই। রাসেল ভক্ত বনে যাওয়া বেগম মুজিব নিজের ছোট সন্তানের নাম রাসেল রাখলেন।



 ছোট্ট রাসেল সবার আদর আর যত্নে বড় হতে লাগলো। বেগম মুজিব রাসেলকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে সংসারের কাজ করতেন, স্কুল বন্ধ থাকলে তার পাশে শুয়ে বোন শেখ হাসিনা বই পড়তেন। শেখ হাসিনা এক স্মৃতি চারণে বলছিলেন, " আমার চুলের বেণি ধরে খেলতে খুব পছন্দ করতো ও। আমার লম্বা চুলের বেণিটা ওর হাতে ধরিয়ে দিতাম। ও হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে হাসতো। কারণ নাড়াচাড়ায় মুখে চুল লাগতো তাতে খুব মজা পেত।"


স্বাধীনতার পর রাসেলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি স্কুলে ভর্তি করা হয়। একজন ভদ্র মহিলাকে রাসেলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো। রাসেলকে পড়ানো খুব সহজ কথা ছিল না। শিক্ষককে তার কথাই শুনতে হতো। শেখ হাসিনা বলছিলেন, " প্রতিদিন শিক্ষয়িত্রীকে দুটো করে মিষ্টি খেতে হবে। আর এ মিষ্টি না খেলে সে পড়বে না। কাজেই শিক্ষিকাকে খেতেই হতো। তা ছাড়া সব সময় তার লক্ষ্য থাকত শিক্ষিকার যেন কোনও অসুবিধা না হয়। মানুষকে আপ্যায়ন করতে খুবই পছন্দ করত।"




১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে ঘাতকের নির্মম বুলেট কেড়ে নিয়েছিল ছোট্ট রাসেলকেও। 


১৫ই আগস্টের সেই রাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটিতে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী এ এফ এম মুহিতুল ইসলাম। এছাড়া পরদিন দুইজন সেনা কর্মকর্তা বাড়িটি ঘুরে আসেন। কী দেখেছিলেন তাঁরা? তাঁদের বর্ণনায় উঠে এসেছে নৃশংসতার বাস্তব চিত্র। সেসব নিয়েই এই ভিডিও 





দেখার আমন্ত্রণ।