এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ০২ ডিসেম্বর থেকে। এই বছরের শুরুতে এই পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়। কমানো হয় বিষয় সংখ্যাও৷ এ বছর প্রতিটি বিভাগে তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞান বিভাগে যে বিষয়গুলোয় পরীক্ষা হবে - পদার্থ বিজ্ঞান ১ম ও ২য় পত্র, রসায়ন ১ম ও ২য় পত্র , জীব বিজ্ঞান /উচ্চতর গণিত ১ম ও ২য় পত্র।
এইচএসসির বিভাগভিত্তিক রুটিন
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে যে বিষয়গুলোয় পরীক্ষা হবে - হিসাববিজ্ঞান ১ম ও ২য় পত্র, ব্যবসায় উদ্যোগ ১ম ও ২য় পত্র, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং ১ম ও ২য় পত্র, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম ও ২য় পত্র।
মানবিক বিভাগে যে বিষয়গুলোয় পরীক্ষা হবে -
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা ১ম ও ২য় পত্র, ভূগোল ও পরিবেশ ১ম ও ২য় পত্র, পৌরনীতি ও নাগরিকতা ১ম ও ২য় পত্র, অর্থনীতি ১ম ও ২য় পত্র।
বিজ্ঞান বিভাগের নম্বর বিভাজন যেভাবে
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ০৮ টি রচনামূলক প্রশ্ন থেকে ০২ টি উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি রচনামূলক প্রশ্নের মান ১০। এছাড়া ২৫ টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থেকে ১২ টি উত্তর
উত্তর দিতে হবে। প্রতিটির মান ১। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটে ৩২ নম্বরের পরীক্ষা হবে।
এইচএসসির সকল বিষয়ের ব্যবহারিক একসাথে
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের নম্বর বিভাজন যেভাবে
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১১ টি রচনামূলক প্রশ্ন থেকে ০৩ টি উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি রচনামূলক প্রশ্নের মান ১০। এছাড়া ৩০ টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থেকে ১৫ টি উত্তর
উত্তর দিতে হবে। প্রতিটির মান ১। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটে ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে।
মানবিক বিভাগের নম্বর বিভাজন যেভাবে
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১১ টি রচনামূলক প্রশ্ন থেকে ০৩ টি উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি রচনামূলক প্রশ্নের মান ১০। এছাড়া ৩০ টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থেকে ১৫ টি উত্তর
উত্তর দিতে হবে। প্রতিটির মান ১। মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটে ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে।
বিজ্ঞান বিভাগের মূল্যায়ন যেভাবে
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট ১০০ নম্বরেই মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে রচনামূলক অংশে যে দুইটি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছে সেখান থেকে আসবে ২০ নম্বর। এই ২০ নম্বরকে ৫০ নম্বরে উন্নীত করা হবে। অর্থাৎ ২০ এর মধ্যে আপনার প্রাপ্ত নম্বরকে ২.৫ দিয়ে গুণ করা হবে।
একইভাবে নৈর্ব্যক্তিক বা এমসিকিউ অংশের ১২ নম্বরকে ২৫ নম্বরে উত্তীর্ণ করা হবে। অর্থাৎ ১২ এর মধ্যে আপনার প্রাপ্ত নম্বরকে ২.০৮৩ দিয়ে গুণ করা হবে। লিখিত পরীক্ষা থেকে এভাবে ৭৫ নম্বর হিসাব করা হবে। বাকি ২৫ নম্বর হিসাব হবে ব্যবহারিক খাতা থেকে।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের মূল্যায়ন যেভাবে
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট ১০০ নম্বরেই মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে রচনামূলক অংশে যে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছে সেখান থেকে আসবে ৩০ নম্বর। এই ৩০ নম্বরকে ৭০ নম্বরে উন্নীত করা হবে। অর্থাৎ ৩০ এর মধ্যে আপনার প্রাপ্ত নম্বরকে ২.৩৩ দিয়ে গুণ করা হবে।
একইভাবে নৈর্ব্যক্তিক বা এমসিকিউ অংশের ১৫ নম্বরকে ৩০ নম্বরে উত্তীর্ণ করা হবে। অর্থাৎ ১৫ এর মধ্যে আপনার প্রাপ্ত নম্বরকে ২ দিয়ে গুণ করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় এভাবেই ১০০ নম্বর হিসাব করা হবে।
মানবিক বিভাগের মূল্যায়ন যেভাবে
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট ১০০ নম্বরেই মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে রচনামূলক অংশে যে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছে সেখান থেকে আসবে ৩০ নম্বর। এই ৩০ নম্বরকে ৭০ নম্বরে উন্নীত করা হবে। অর্থাৎ ৩০ এর মধ্যে আপনার প্রাপ্ত নম্বরকে ২.৩৩ দিয়ে গুণ করা হবে।
একইভাবে নৈর্ব্যক্তিক বা এমসিকিউ অংশের ১৫ নম্বরকে ৩০ নম্বরে উত্তীর্ণ করা হবে। অর্থাৎ ১৫ এর মধ্যে আপনার প্রাপ্ত নম্বরকে ২ দিয়ে গুণ করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় এভাবেই ১০০ নম্বর হিসাব করা হবে।
পরামর্শ
১। গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া যেভাবে হবে।
২। ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার জন্য শেষ মুহূর্তে কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?
৩। কত পেলে চান্স মিলবে মেডিকেলে?
৪৷ একটা সিটের আকাঙ্খা : ভাগ্য যেভাবে সাহায্য করেছিল আমায়
৫। সেকেন্ড টাইম থাকছে না গুচ্ছতে?
৬। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি : কোথায় কত কোটা?
৭। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কি পছন্দের কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ মিলবে?